০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

ডিবিএন প্রতিবেদক

  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৭০ বার পড়া হয়েছে

মেহজাবীন চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দায়ের করেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।
আজ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ নভেম্বর মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এরপর তাদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ধার্য করা হয়েছে আগামী ১৮ ডিসেম্বর।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে অভিযুক্ত মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হতে চান। বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে তিনি তাদের নগদ অর্থ এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট সাতাশ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বিভিন্ন সময় বাদী টাকা চাইলেও দীর্ঘদিন সময় নেন এবং আজ দিব কাল দিব বলে তালবাহানা করতে থাকেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪-৫জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না’ তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব। এসব কথা বলে তারা বাদীকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখায়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দায়ের করেন আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি।
আজ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ নভেম্বর মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

এরপর তাদের গ্রেপ্তার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ধার্য করা হয়েছে আগামী ১৮ ডিসেম্বর।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে অভিযুক্ত মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হতে চান। বিভিন্ন প্রলোভনের মাধ্যমে তিনি তাদের নগদ অর্থ এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট সাতাশ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বিভিন্ন সময় বাদী টাকা চাইলেও দীর্ঘদিন সময় নেন এবং আজ দিব কাল দিব বলে তালবাহানা করতে থাকেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪-৫জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না’ তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব। এসব কথা বলে তারা বাদীকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি দেখায়। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।
ঘটনার পর বাদী ভাটারা থানায় গেলে থানার পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।