১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ১১

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ১১:০০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহরের শান্তিনগর এলাকায় গেলে সেখানে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন।

আহত বিএনপি কর্মীদের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা একটি গাড়িতে করে লোকজন নিয়ে সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্র এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন এবং বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের খবর দেন। পরে বিএনপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

তবে এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষে আহত ১১

আপডেট সময় ১১:০০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাটে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহরের শান্তিনগর এলাকায় গেলে সেখানে বিএনপির প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধানের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন।

আহত বিএনপি কর্মীদের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার শিখা একটি গাড়িতে করে লোকজন নিয়ে সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্র এলাকায় টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা প্রতিবাদ করেন এবং বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের খবর দেন। পরে বিএনপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

তবে এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।