০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের যুবকের আমজাদ হোসেন দিপুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় দুইটা চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।

গার্মেন্টসকর্মীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা ‘বিদায়টা দরকার ছিল’

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৫:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত আমজাদ হোসেন দিপু নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের মো. ফখরুল ইসলামের ছেলে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।

প্রথম চিরকুটে মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না উল্লেখ করে আমজাদ হোসেন দিপু লিখেন, ‘বিদায়টা দরকার ছিল শান্তির জন্য। পরিবার, আত্মীয়-স্বজনরা, বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি এই দুনিয়াটা একটা মরিচিকা।’

দ্বিতীয় চিরকুটে দিপু লিখেন, ‘কী পেলাম এই জীবনে। না আছে পরকালের জন্য, না আছে দুনিয়াবি কাজ। ভালো থাকুক দুনিয়ার মানুষ।’

মৃতের বন্ধু আব্দুল মালেক শাওন বলেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিপু এলাকার একটি মসজিদে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের মাত্র ১০ দিনের মাথায় আজ দিপু আর নেই। তার বাড়িতে রয়েছেন নববধূ, যার হাতের মেহেদীর রং এখনো শুকায়নি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক হতাশায় ভুগছিলেন। হয়তো সেই হতাশা থেকেই এভাবে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন। দিপুর মতো মিশুক মানুষ আমি জীবনে খুব কমই দেখেছি।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষ হলে মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে আনবে।  এবিষয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের যুবকের আমজাদ হোসেন দিপুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় দুইটা চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে।

গার্মেন্টসকর্মীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা ‘বিদায়টা দরকার ছিল’

আপডেট সময় ০৫:৩২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুরের শ্রীপুরের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত আমজাদ হোসেন দিপু নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর আমান উল্লাহ ইউনিয়নের মো. ফখরুল ইসলামের ছেলে। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন।

প্রথম চিরকুটে মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না উল্লেখ করে আমজাদ হোসেন দিপু লিখেন, ‘বিদায়টা দরকার ছিল শান্তির জন্য। পরিবার, আত্মীয়-স্বজনরা, বন্ধুবান্ধব ইত্যাদি এই দুনিয়াটা একটা মরিচিকা।’

দ্বিতীয় চিরকুটে দিপু লিখেন, ‘কী পেলাম এই জীবনে। না আছে পরকালের জন্য, না আছে দুনিয়াবি কাজ। ভালো থাকুক দুনিয়ার মানুষ।’

মৃতের বন্ধু আব্দুল মালেক শাওন বলেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দিপু এলাকার একটি মসজিদে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের মাত্র ১০ দিনের মাথায় আজ দিপু আর নেই। তার বাড়িতে রয়েছেন নববধূ, যার হাতের মেহেদীর রং এখনো শুকায়নি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক হতাশায় ভুগছিলেন। হয়তো সেই হতাশা থেকেই এভাবে নিজের জীবন শেষ করে দিয়েছেন। দিপুর মতো মিশুক মানুষ আমি জীবনে খুব কমই দেখেছি।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষ হলে মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে আনবে।  এবিষয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।