০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

যেভাবে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৯:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এতে দেশের নেটওয়ার্কে নিবন্ধনহীন বা আনঅফিসিয়াল মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ হবে।

তবে গ্রাহক যদি নিবন্ধিত মুঠোফোন বিক্রি বা হস্তান্তর করতে চান, সে ক্ষেত্রে আগে হ্যান্ডসেটটিকে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সিম ফোনে থাকতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট উল্লেখ করতে হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে চারটি মাধ্যমে —

১. সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd) ২. মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও) পোর্টাল ৩. মোবাইল অ্যাপস ৪. ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#) তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন, তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সময় বাড়িয়ে ১ জানুয়ারি থেকে সিস্টেমটি চালু করা হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যেভাবে নিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন

আপডেট সময় ০৯:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সিস্টেম। এতে দেশের নেটওয়ার্কে নিবন্ধনহীন বা আনঅফিসিয়াল মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ হবে।

তবে গ্রাহক যদি নিবন্ধিত মুঠোফোন বিক্রি বা হস্তান্তর করতে চান, সে ক্ষেত্রে আগে হ্যান্ডসেটটিকে ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে।

ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে অবশ্যই গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে নিবন্ধিত একটি সিম ফোনে থাকতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ চার ডিজিট উল্লেখ করতে হবে। নিবন্ধিত ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়া এখন থেকে অনুসরণ করতে হবে। ডি-রেজিস্ট্রেশন করা যাবে চারটি মাধ্যমে —

১. সিটিজেন পোর্টাল (neir.btrc.gov.bd) ২. মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর (এমএনও) পোর্টাল ৩. মোবাইল অ্যাপস ৪. ইউএসএসডি চ্যানেল (*১৬১৬১#) তবে ডি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন, তা অবশ্যই নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেট ডি-রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সিম নম্বর দিতে হবে।এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর এনইআইআর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। তবে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সময় বাড়িয়ে ১ জানুয়ারি থেকে সিস্টেমটি চালু করা হয়।