০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

যেসব অভ্যাস ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০২:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বর্তমানে শারীরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম ফ্যাটি লিভার রোগ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি বাড়িয়ে তুলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি। বিভিন্ন ধরনের স্টেয়রেড মেডিসিনও ক্ষতির কারণ হয় লিভারের জন্য।

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিতে মূল কারণগুলো:

খারাপ খাদ্যাভ্যাস: পাস্তা, পিৎজা, বার্গার বা ভাজাভুজি বেশি খাওয়া, বেশি চিনি বা নুন যুক্ত খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর। প্রক্রিয়াজাত ও হিমায়িত খাবারও বিপজ্জনক।

শরীরচর্চার অভাব: দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ, কম ওঠা-হাঁটা—এতে মেদ জমে, যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়।

স্থূলত্ব: বিশেষ করে পেটে অতিরিক্ত মেদ জমা ফ্যাটি লিভারের প্রধান ঝুঁকি।

ডায়াবিটিস ও ইনসুলিন সমস্যা: হরমোন ঠিকমতো কাজ না করলে লিভারে ফ্যাট জমতে থাকে।

খাবার যা ফ্যাটি লিভারের জন্য ভালো:

তেল: এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল স্যালাড বা কম তাপে রান্নায় ভালো। এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে।

বাদাম ও বীজ: আখরোট, কাঠবাদাম, কুমড়ো বা তিসির বীজ লিভারের জন্য উপকারী।

সুস্থ কার্বোহাইড্রেট: ওটস, বার্লি, মিলেট রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও লিভারের জন্য ভালো।

যে খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি:

  • বারবার ব্যবহার করা তেল বা ভাজাভুজি।
  • প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক।
  • সাদা পাউরুটি, কেক, পেস্ট্রি বা ময়দাজাত খাবার নিয়মিত খাওয়া।

চিকিৎসকরা বলেন, দৈনন্দিন জীবনযাপন ও খাবারের সচেতনতা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং জীবনযাত্রায় ছোট ছোট বদল লিভারের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যেসব অভ্যাস ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়

আপডেট সময় ০২:১৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বর্তমানে শারীরিক সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম ফ্যাটি লিভার রোগ। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত ওজন, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি বাড়িয়ে তুলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি। বিভিন্ন ধরনের স্টেয়রেড মেডিসিনও ক্ষতির কারণ হয় লিভারের জন্য।

ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিতে মূল কারণগুলো:

খারাপ খাদ্যাভ্যাস: পাস্তা, পিৎজা, বার্গার বা ভাজাভুজি বেশি খাওয়া, বেশি চিনি বা নুন যুক্ত খাবার লিভারের জন্য ক্ষতিকর। প্রক্রিয়াজাত ও হিমায়িত খাবারও বিপজ্জনক।

শরীরচর্চার অভাব: দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ, কম ওঠা-হাঁটা—এতে মেদ জমে, যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়।

স্থূলত্ব: বিশেষ করে পেটে অতিরিক্ত মেদ জমা ফ্যাটি লিভারের প্রধান ঝুঁকি।

ডায়াবিটিস ও ইনসুলিন সমস্যা: হরমোন ঠিকমতো কাজ না করলে লিভারে ফ্যাট জমতে থাকে।

খাবার যা ফ্যাটি লিভারের জন্য ভালো:

তেল: এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল স্যালাড বা কম তাপে রান্নায় ভালো। এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে।

বাদাম ও বীজ: আখরোট, কাঠবাদাম, কুমড়ো বা তিসির বীজ লিভারের জন্য উপকারী।

সুস্থ কার্বোহাইড্রেট: ওটস, বার্লি, মিলেট রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও লিভারের জন্য ভালো।

যে খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি:

  • বারবার ব্যবহার করা তেল বা ভাজাভুজি।
  • প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাক।
  • সাদা পাউরুটি, কেক, পেস্ট্রি বা ময়দাজাত খাবার নিয়মিত খাওয়া।

চিকিৎসকরা বলেন, দৈনন্দিন জীবনযাপন ও খাবারের সচেতনতা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায়। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর খাদ্য এবং জীবনযাত্রায় ছোট ছোট বদল লিভারের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।