০২:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে মুন্না নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

 

বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে মুন্না নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে।
জানা গেছে গত সোমবাব (২৩ মার্চ) বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোর ইউনিয়নের খন্দকার পাড়া হাই স্কুলের সামনে অজ্ঞাতমানা দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে মোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) গুরুতর আহত হয়।
মোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১), পিতা মৃত ডাঃ ইয়াসিন আলী, সাং: ১ নম্বর ফাপোড় খন্দকার পাড়া।
পরে স্থানীয়রা আহত মুন্নাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। আজ মঙ্গলবার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মুন্না । বর্তমান মৃতদেহটি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মুন্নার বড় ভাই মাহবুবুর রহমান এবং মাইদুল ইসলাম জানান, নিহত মুন্না এক বছর আগে স্থানীয় একজনকে কিছু টাকা ধার দেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে মুন্না সুদ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই টাকা নিয়ে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার দিন ওই মামলার জের ধরে পূর্বপুরিকল্পিতভাবে মুন্নাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবার। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে নিহতের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে মুন্না নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন

আপডেট সময় ০৫:১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

 

বগুড়ার ফাপড়ে পাওনা টাকা কে কেন্দ্র করে মুন্না নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়েছে।
জানা গেছে গত সোমবাব (২৩ মার্চ) বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোর ইউনিয়নের খন্দকার পাড়া হাই স্কুলের সামনে অজ্ঞাতমানা দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে মোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) গুরুতর আহত হয়।
মোঃ আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১), পিতা মৃত ডাঃ ইয়াসিন আলী, সাং: ১ নম্বর ফাপোড় খন্দকার পাড়া।
পরে স্থানীয়রা আহত মুন্নাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। আজ মঙ্গলবার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মুন্না । বর্তমান মৃতদেহটি, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মুন্নার বড় ভাই মাহবুবুর রহমান এবং মাইদুল ইসলাম জানান, নিহত মুন্না এক বছর আগে স্থানীয় একজনকে কিছু টাকা ধার দেন। স্থানীয়রা জানিয়েছে মুন্না সুদ লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই টাকা নিয়ে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার দিন ওই মামলার জের ধরে পূর্বপুরিকল্পিতভাবে মুন্নাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবার। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে নিহতের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।