০৪:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

পেঁয়াজের দামে দেশে ক্রেতার চোখে পানি; ভারতে কাঁদছে বিক্রেতা

ডিবিএন প্রতিবেদক

  • আপডেট সময় ০১:০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪ বার পড়া হয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। এতে বাজারে গিয়ে ফুঁসে উঠছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। কেউ কেউ সরকারের নীতি সিদ্ধান্তকে দায়ী করে কটুক্তি করতেও পিঁছু হাটছেন না। অথচ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের সরকারি নীতিকে দুষছেন।
এদিকে বাংলাদেশে পেঁয়াজে সংকট নেই বলে জানাচ্ছে সরকার। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সংকট থাকায় দাম কমছে না। একপর্যায়ে ভারতের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা এলেও শেষ পর্যন্ত আমদানির অনুমোদন মেলেনি। এতে খুচরা বাজারে মাসের অধিক সময় ধরে শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে রান্না ঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার সকালে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহেও এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে তিন ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১১০ টাকা এবং এবং বড় সাইজের পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থির রয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিলো। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো।

বাংলাদেশ এখন স্থানীয় কৃষকদের রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনছে না। ফলে দেশটির প্রধান পেঁয়াজ রপ্তানির বাজার নষ্ট হয়ে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে।
পেঁয়াজের দামে দেশে ক্রেতার চোখে পানি; ভারতে কাঁদছে বিক্রেতা
ছবি: সংগৃহীত
দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। এতে বাজারে গিয়ে ফুঁসে উঠছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। কেউ কেউ সরকারের নীতি সিদ্ধান্তকে দায়ী করে কটুক্তি করতেও পিঁছু হাটছেন না। অথচ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের সরকারি নীতিকে দুষছেন।

এদিকে বাংলাদেশে পেঁয়াজে সংকট নেই বলে জানাচ্ছে সরকার। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সংকট থাকায় দাম কমছে না। একপর্যায়ে ভারতের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা এলেও শেষ পর্যন্ত আমদানির অনুমোদন মেলেনি। এতে খুচরা বাজারে মাসের অধিক সময় ধরে শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে রান্না ঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার সকালে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহেও এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে তিন ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১১০ টাকা এবং এবং বড় সাইজের পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থির রয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিলো। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো।

বাংলাদেশ এখন স্থানীয় কৃষকদের রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনছে না। ফলে দেশটির প্রধান পেঁয়াজ রপ্তানির বাজার নষ্ট হয়ে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে।

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির বেশ কিছু কারণ দৃশ্যমান। প্রথমত, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। দ্বিতীয়ত, পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভাব। তৃতীয়ত, মৌসুমের শেষ পর্যায় এবং চতুর্থত, বৃষ্টিতে পেঁয়াজের ক্ষতি হওয়া। সাধারণত, প্রতিবছরে নির্দিষ্ট কোনো এক সময়ে এই কারণগুলোর জন্য পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। এ বছর এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমদানি বন্ধ থাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবছর মৌসুম শেষের দিকে এসে পেঁয়াজের দামে বড় উল্লোফন দেখা যায়। বিশেষ করে অক্টোবর-ডিসেম্বরে বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা যায়। নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে না আসা পর্যন্ত অস্থিরতা চলমান থাকে। এই সংকট ব্যবসায়ীরাই কৃত্রিমভাবে তৈরি করেন অনেক ক্ষেত্রে। সরকারের উচিত বছরের শেষ সময়কে টার্গেট করে স্থায়ী একটা সমাধান খোঁজা।
সুত্রঃ বাংলা এডিশন

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পেঁয়াজের দামে দেশে ক্রেতার চোখে পানি; ভারতে কাঁদছে বিক্রেতা

আপডেট সময় ০১:০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। এতে বাজারে গিয়ে ফুঁসে উঠছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। কেউ কেউ সরকারের নীতি সিদ্ধান্তকে দায়ী করে কটুক্তি করতেও পিঁছু হাটছেন না। অথচ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের সরকারি নীতিকে দুষছেন।
এদিকে বাংলাদেশে পেঁয়াজে সংকট নেই বলে জানাচ্ছে সরকার। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সংকট থাকায় দাম কমছে না। একপর্যায়ে ভারতের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা এলেও শেষ পর্যন্ত আমদানির অনুমোদন মেলেনি। এতে খুচরা বাজারে মাসের অধিক সময় ধরে শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে রান্না ঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার সকালে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহেও এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে তিন ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১১০ টাকা এবং এবং বড় সাইজের পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থির রয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিলো। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো।

বাংলাদেশ এখন স্থানীয় কৃষকদের রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনছে না। ফলে দেশটির প্রধান পেঁয়াজ রপ্তানির বাজার নষ্ট হয়ে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে।
পেঁয়াজের দামে দেশে ক্রেতার চোখে পানি; ভারতে কাঁদছে বিক্রেতা
ছবি: সংগৃহীত
দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমূখী রয়েছে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে। এতে বাজারে গিয়ে ফুঁসে উঠছেন স্বল্প আয়ের মানুষ। কেউ কেউ সরকারের নীতি সিদ্ধান্তকে দায়ী করে কটুক্তি করতেও পিঁছু হাটছেন না। অথচ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে পেঁয়াজের ব্যাপক দরপতন হওয়ায় ব্যবসায়ীরা তাদের সরকারি নীতিকে দুষছেন।

এদিকে বাংলাদেশে পেঁয়াজে সংকট নেই বলে জানাচ্ছে সরকার। অথচ দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সংকট থাকায় দাম কমছে না। একপর্যায়ে ভারতের পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা এলেও শেষ পর্যন্ত আমদানির অনুমোদন মেলেনি। এতে খুচরা বাজারে মাসের অধিক সময় ধরে শতক ছাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে রান্না ঘরের অতীব জরুরি এই পণ্যটি।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শনিবার সকালে খুচরা পর্যায়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহেও এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হতে দেখা যায়। বাজারে তিন ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১১০ টাকা এবং এবং বড় সাইজের পেঁয়াজ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই দাম তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে স্থির রয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিলো। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো।

বাংলাদেশ এখন স্থানীয় কৃষকদের রক্ষায় ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনছে না। ফলে দেশটির প্রধান পেঁয়াজ রপ্তানির বাজার নষ্ট হয়ে গেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারত বাংলাদেশে সাত লাখ ২৪ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানি করেছিল। যা দেশটির মোট রপ্তানির ৪২ শতাংশ ছিলো। সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ মাত্র ১২ হাজার ৯০০ টন পেঁয়াজ কিনেছে।

পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির বেশ কিছু কারণ দৃশ্যমান। প্রথমত, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য। দ্বিতীয়ত, পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভাব। তৃতীয়ত, মৌসুমের শেষ পর্যায় এবং চতুর্থত, বৃষ্টিতে পেঁয়াজের ক্ষতি হওয়া। সাধারণত, প্রতিবছরে নির্দিষ্ট কোনো এক সময়ে এই কারণগুলোর জন্য পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়। এ বছর এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমদানি বন্ধ থাকা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতিবছর মৌসুম শেষের দিকে এসে পেঁয়াজের দামে বড় উল্লোফন দেখা যায়। বিশেষ করে অক্টোবর-ডিসেম্বরে বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা যায়। নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজারে না আসা পর্যন্ত অস্থিরতা চলমান থাকে। এই সংকট ব্যবসায়ীরাই কৃত্রিমভাবে তৈরি করেন অনেক ক্ষেত্রে। সরকারের উচিত বছরের শেষ সময়কে টার্গেট করে স্থায়ী একটা সমাধান খোঁজা।
সুত্রঃ বাংলা এডিশন