সিলেটকে বিদায় করে ফাইনালে রাজশাহী
- আপডেট সময় ০১:৪৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে লড়াই জমেও জমলো না। টপ ও লোয়ার অর্ডারের ব্যাটিংয়ে ভালো পুঁজি পাওয়া রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে মিডল অর্ডারের লড়াইয়ে পাল্টা দিচ্ছিল সিলেট টাইটান্স। কিন্তু ফিনিশিং টানতে না পেরে ১২ রানে হেরেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফাইনালে উঠে গেছে নাজমুল শান্তর রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুক্রবার শিরোপা লড়াইয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের মুখোমুখি হবে তারা।
বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং নেয় সিলেট টাইটান্স। ব্যাটিংয়ে নেমে ৪.৪ ওভারে ৪১ রানের ভালো জুটি পায় রাজশাহী। পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ২১ বলে ২৬ রান করে ফিরে যান। চারটি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মারেন তিনি। ঝড়ো ব্যাটিং করেন অন্য ওপেনার তানজিদ তামিম। ১৫ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। চারটি ছক্কার সঙ্গে একটি চারের শট খেলেন।
তিনে নামা কেন উইলিয়ামসনও কার্যকর ইনিংস খেলেছেন। ফাইনালের লড়াইয়ের আগে রাজশাহী দলে যোগ দিয়ে ৩৮ বলে সর্বাধিক ৪৫ রান করেন তিনি। দুটি ছক্কার সঙ্গে একটি চার মারেন এই কিউই ব্যাটার। তবে মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় রান পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে রাজশাহী। নাজমুল শান্ত (৭), মুশফিকুর রহিম (০) ও এসএম মেহরব (০) ব্যর্থ হন। কিউই অলরাউন্ডার জেমি নিশাম ওই ধাক্কা পূরণ করে দেন। তিনি ২৬ বলে ৪৪ রান করেন। চারটি চারের সঙ্গে ছক্কা মারেন দুটি।
জবাব দিতে নেমে ৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট। জাকির হাসান ও আরিফুল ইসলাম ডাক মারেন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ওপেনিংয়ে নামা পারভেজ ইমন ও চারে নামা স্যাম বিলিংস ৬৯ রানের জুটি গড়েন। পারভেজ ৩৪ বলে ৪৮ রান করে ফিরে যান। পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন। মঈন আলী ((৭) ব্যর্থ হলে চাপে পড়ে সিলেট।
বিলিংস ইনিংস বড় করতে না পারায় ওই চাপ আরও বাড়ে। তিনি ২৮ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৭ রান করেন। আশা দিচ্ছিলেন আফিফ হোসেন। তিনি ১২ বলে দুই চার ও এক ছয়ে ২১ রান করে ফিরলে ফাইনালের আশা ধূসর হয় সিলেটের। ক্রিস ওকস এবার আর জেতাতে পারেননি রাজশাহীকে। তিনি ১০ বলে ১৫ রান করেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২৪ রান দরকার থাকলে ১১ নিতে পারে সিলেট।
দারুণ বোলিং করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন রাজশাহীর লঙ্কান পেসার বিনুরা ফার্নান্দো। তিনি ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন তানজিম, মোহাম্মদ রুবেল ও সাকলাইন। সিলেটের সালমান ইরশাদ ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। স্পিনার নাসুম আহমেদ ও মেহেদী মিরাজ যথাক্রমে ২০ ও ২৩ রান দিয়ে ২টি করে উইকেট দখল করেন।






















