১০:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ধর্ষণ মারপিট ও গর্ভপাতের অভিযোগ নারী নিযাতন মামলায় গ্রেফতার হিরো আলমকে

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৬:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিউটি পারর্লারের মালিক এক যবুতীকে নায়িকা  বানানোর কথা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণসহ মারপিট করে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারকৃত আসামী আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম (৪০) কে, হাজতি পরোয়ানা মুলে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ওই আসামীকে গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন টাইব্যুনাল নং-১ এ সোপার্দ্দ করলে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক, ওই আসামীকে কারাগারে প্রেরনের ওই আদেশ দেন। তবে ওই আসামীর বিরুদ্ধে এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন জামিনের আবেদন করা হয় নি।

উল্লেখ্য, জনৈকা মোছাঃ সাদিয়া রহমান মিথিলা (২৭) নামের যুবতী বাদিনী হয়ে, বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যতন টাইব্যুনাল নং-১ এর আদালতে গত (৪ মে) এই মামলা দায়ের করেন। ওই ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলার অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের জন্য পিবিআই বগুড়ার পুলিশ সুপারের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়। ওই ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে যে, বগুড়ার এরুলিয় বানদিঘী পশ্চিমপাড়ার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে আসামি আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম, ওই বাদিনীকে ছোট পর্দার নায়িকা বানোর লোভ দেখায়। এর পরে হিরো আলম ওই বাদিনীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষভ করে। জনৈক মৌলভী ডেকে এনে বাদিনীর সাথে হিরো আলম কবুল পরিয়া বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়ানিয়ে সংসার করতে থাকে। এরই মধ্যে শট ফ্লিম তৈরীর জন্য তার কাছ থেকে হিরো আলম ১৫ লাখ টাকা কর্জ নেয়। পরে বাদিনী হিরো আলমকে বিয়ের কাবিনের জন্য চাপ দিলে হিরো আলম ওই বাদিনীকে গত (১৮ এপ্রিল) বগুড়ার বাড়িতে নিয়ে আসে ও তাকে পেটের বাচ্ছা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বাদিনী তার পেটের বাচ্ছা নষ্ট করতে রাজী না হলে, আসামী আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম গত (২১ এপ্রিল) বেলা ১০ টার দিকে নিজ বাড়িতে তাকে মারপিট করলে রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। এরপর ওই দিন তাকে বগুড়া শহরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি দিলে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে (২৪ এপ্রিল) ভর্তি করা হলে, সেখানে (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহণ করে মর্মে অভিযোগে বলা হয়েে। পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক কবিরুল ইসলাম অভিযোগটি তদন্ত করে গত (২০ জানুয়ারী) স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক ওই আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গত (১০ ফেব্রুয়ারী) গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধর্ষণ মারপিট ও গর্ভপাতের অভিযোগ নারী নিযাতন মামলায় গ্রেফতার হিরো আলমকে

আপডেট সময় ০৬:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিউটি পারর্লারের মালিক এক যবুতীকে নায়িকা  বানানোর কথা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণসহ মারপিট করে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারকৃত আসামী আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম (৪০) কে, হাজতি পরোয়ানা মুলে বগুড়া কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ওই আসামীকে গ্রেফতারী পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন টাইব্যুনাল নং-১ এ সোপার্দ্দ করলে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক, ওই আসামীকে কারাগারে প্রেরনের ওই আদেশ দেন। তবে ওই আসামীর বিরুদ্ধে এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন জামিনের আবেদন করা হয় নি।

উল্লেখ্য, জনৈকা মোছাঃ সাদিয়া রহমান মিথিলা (২৭) নামের যুবতী বাদিনী হয়ে, বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যতন টাইব্যুনাল নং-১ এর আদালতে গত (৪ মে) এই মামলা দায়ের করেন। ওই ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলার অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের জন্য পিবিআই বগুড়ার পুলিশ সুপারের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়। ওই ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে যে, বগুড়ার এরুলিয় বানদিঘী পশ্চিমপাড়ার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে আসামি আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম, ওই বাদিনীকে ছোট পর্দার নায়িকা বানোর লোভ দেখায়। এর পরে হিরো আলম ওই বাদিনীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষভ করে। জনৈক মৌলভী ডেকে এনে বাদিনীর সাথে হিরো আলম কবুল পরিয়া বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়ানিয়ে সংসার করতে থাকে। এরই মধ্যে শট ফ্লিম তৈরীর জন্য তার কাছ থেকে হিরো আলম ১৫ লাখ টাকা কর্জ নেয়। পরে বাদিনী হিরো আলমকে বিয়ের কাবিনের জন্য চাপ দিলে হিরো আলম ওই বাদিনীকে গত (১৮ এপ্রিল) বগুড়ার বাড়িতে নিয়ে আসে ও তাকে পেটের বাচ্ছা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বাদিনী তার পেটের বাচ্ছা নষ্ট করতে রাজী না হলে, আসামী আশরাফুল ইসলাম (ওরফে) হিরো আলম গত (২১ এপ্রিল) বেলা ১০ টার দিকে নিজ বাড়িতে তাকে মারপিট করলে রক্ত ক্ষরণ শুরু হয়। এরপর ওই দিন তাকে বগুড়া শহরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি দিলে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে (২৪ এপ্রিল) ভর্তি করা হলে, সেখানে (২৬ এপ্রিল) পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহণ করে মর্মে অভিযোগে বলা হয়েে। পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক কবিরুল ইসলাম অভিযোগটি তদন্ত করে গত (২০ জানুয়ারী) স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক ওই আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গত (১০ ফেব্রুয়ারী) গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।