১০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

খামেনি হত্যার প্রতিবাদ করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৯

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৫:৩৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানের উদ্ধারকারী সংস্থা এডি জানিয়েছে, করাচিতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা  ছয় থেকে বেড়ে ৯ এ দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। 

হাসপাতাল সূত্র ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো একাধিক প্রাণহানির এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উদ্ধারকারী সংস্থা এডির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে।

করাচি সিভিল হাসপাতালের (সিএইচকে) পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে ছয়টি মরদেহ আনা হয়েছে। এডি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার এ পরিস্থিতির বিষয়ে করাচির অতিরিক্ত আইজিপি আজাদ খানের কাছে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তলব করেছেন। এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।

তিনি সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সংঘর্ষের কারণে মাই কোলাচি রোডের উভয় পাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। করাচি ট্রাফিক পুলিশ সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে যান চলাচল বন্ধ করে বিকল্প রুট ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। জিন্নাহ ব্রিজ, আইআই চুন্দ্রিগড় রোড এবং বোট বেসিন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি এড়াতে ট্রাফিক হেল্পলাইন ১৯১৫-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

খামেনি হত্যার প্রতিবাদ করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ-সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৯

আপডেট সময় ০৫:৩৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

পাকিস্তানের উদ্ধারকারী সংস্থা এডি জানিয়েছে, করাচিতে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা  ছয় থেকে বেড়ে ৯ এ দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা মাই কোলাচি রোডে অবস্থিত কনস্যুলেটে প্রবেশের চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। 

হাসপাতাল সূত্র ও উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো একাধিক প্রাণহানির এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

উদ্ধারকারী সংস্থা এডির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে।

করাচি সিভিল হাসপাতালের (সিএইচকে) পুলিশ সার্জন ড. সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, হাসপাতালটিতে ছয়টি মরদেহ আনা হয়েছে। এডি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সিন্ধুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জিয়াউল হাসান লাঞ্জার এ পরিস্থিতির বিষয়ে করাচির অতিরিক্ত আইজিপি আজাদ খানের কাছে তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন তলব করেছেন। এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।

তিনি সংবেদনশীল স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

সংঘর্ষের কারণে মাই কোলাচি রোডের উভয় পাস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। করাচি ট্রাফিক পুলিশ সুলতানাবাদ ট্রাফিক সেকশন থেকে যান চলাচল বন্ধ করে বিকল্প রুট ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে। জিন্নাহ ব্রিজ, আইআই চুন্দ্রিগড় রোড এবং বোট বেসিন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি এড়াতে ট্রাফিক হেল্পলাইন ১৯১৫-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।