বগুড়ায় হাফেজ সাইফুল হত্যা, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ২
- আপডেট সময় ০৫:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম (৪১) হত্যা মামলার আসামি ইয়ার মোহাম্মদ ওরফে বিক্রম (৩২) এবং মোছাঃ বেবী খাতুনকে (৫২) অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্প। সোমবার দুপুরে র্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত ইয়ার মোহাম্মদ ওরফে বিক্রম (৩২) বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়ার মোঃ হযরত আলী ছেলে ও মোছাঃ বেবী খাতুন (৫২) হযরত আলীর স্ত্রী।
বগুড়া র্যাব-১২ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (১ মার্চ) বগুড়া সদরের ঠনঠনিয়া মাহবুবনগর শাহী ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় নিজ ক্রয়কৃত জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকালে হামলার শিকার হন হাফেজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম। এ সময় বিবাদীপক্ষের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ইয়ার মোহাম্মদ ওরফে বিক্রম ছুরিকাঘাত করে সাইফুল ইসলামকে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে পথিমধ্যে রাত আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি মারা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের দুলাভাই মোঃ আলী আজম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার ধুনট উপজেলার মোহনপুর উত্তরপাড়ায় অভিযান চালায়। অভিযানে রাত সাড়ে ৩টার দিকে মামলার প্রধান আসামি ইয়ার মোহাম্মদ বিক্রমকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোহনপুরে তার বাবার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয়।
এরপর একই দিন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া সদর থানাধীন ঠনঠনিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোছাঃ বেবী খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১২ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ (এটিসি) জানান, গ্রেপ্তারকৃত দু’জনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে র্যাবের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের তৎপরতা আরও জোরদার করা।
















