০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

‘অপমানিত’ ফাতিমাই হলেন মিস ইউনিভার্স ২০২৫

ডিবিএন প্রতিবেদক

  • আপডেট সময় ০৬:২২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

ফাতিমা। ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এক নারী—মেক্সিকোর ফাতিমা বশ। কয়েকদিন আগেই যিনি আয়োজকদের অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে সোজাসাপ্টা বলে উঠেছিলেন, ‘আমি কোনো পুতুল নই।’ সেই সাহসী প্রতিবাদই যেন আজ তাকে এনে দিল বিশ্বসৌন্দর্যের সর্বোচ্চ মুকুট।
২১ নভেম্বর (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) ব্যাংককের আইকনিক মঞ্চে শুরু হয় গ্র্যান্ড ফাইনাল। থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভেনেজুয়েলা, আইভরি কোস্ট ও মেক্সিকো—এই পাঁচ দেশের প্রতিযোগীরা লড়াই করেন শেষ পর্যায়ে। বিচারকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মানদণ্ড, আর সেখানেই নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তায় সবাইকে ছাড়িয়ে যান ফাতিমা।
কয়েকদিন আগে নাওয়াত ইৎসারাগ্রিসিলের অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, বিশেষ করে ‘ডাম্বহেড’ বলে অপমান—ফাতিমাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তিনি শুধু প্রতিবাদই জানাননি; অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। সহ-প্রতিযোগীদের সংহতি ও বিশ্বব্যাপী সমর্থন তখনই তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দেয়। সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘ভয়হীন নারী’ হিসেবে প্রশংসা করেন অনেকে।ফাইনালের মঞ্চে সেই দৃঢ়তার প্রতিফলন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নারী অধিকার, আত্মসম্মান ও নেতৃত্ব বিষয়ে তার সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী উত্তর মুহূর্তেই হলজুড়ে হাততালি কুড়ায়।
শেষ পর্যন্ত রানারআপ হন মিস থাইল্যান্ড, আর মুকুট ওঠে ২৬ বছর বয়সী ফাতিমা বশের মাথায়—মেক্সিকোর জন্য যা চতুর্থ ‘মিস ইউনিভার্স’ শিরোপা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘অপমানিত’ ফাতিমাই হলেন মিস ইউনিভার্স ২০২৫

আপডেট সময় ০৬:২২:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এক নারী—মেক্সিকোর ফাতিমা বশ। কয়েকদিন আগেই যিনি আয়োজকদের অশালীন আচরণের বিরুদ্ধে সোজাসাপ্টা বলে উঠেছিলেন, ‘আমি কোনো পুতুল নই।’ সেই সাহসী প্রতিবাদই যেন আজ তাকে এনে দিল বিশ্বসৌন্দর্যের সর্বোচ্চ মুকুট।
২১ নভেম্বর (বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা) ব্যাংককের আইকনিক মঞ্চে শুরু হয় গ্র্যান্ড ফাইনাল। থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভেনেজুয়েলা, আইভরি কোস্ট ও মেক্সিকো—এই পাঁচ দেশের প্রতিযোগীরা লড়াই করেন শেষ পর্যায়ে। বিচারকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মানদণ্ড, আর সেখানেই নিজের আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তায় সবাইকে ছাড়িয়ে যান ফাতিমা।
কয়েকদিন আগে নাওয়াত ইৎসারাগ্রিসিলের অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, বিশেষ করে ‘ডাম্বহেড’ বলে অপমান—ফাতিমাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। তিনি শুধু প্রতিবাদই জানাননি; অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। সহ-প্রতিযোগীদের সংহতি ও বিশ্বব্যাপী সমর্থন তখনই তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দেয়। সামাজিক মাধ্যমে তাকে ‘ভয়হীন নারী’ হিসেবে প্রশংসা করেন অনেকে।ফাইনালের মঞ্চে সেই দৃঢ়তার প্রতিফলন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। নারী অধিকার, আত্মসম্মান ও নেতৃত্ব বিষয়ে তার সুস্পষ্ট ও শক্তিশালী উত্তর মুহূর্তেই হলজুড়ে হাততালি কুড়ায়।
শেষ পর্যন্ত রানারআপ হন মিস থাইল্যান্ড, আর মুকুট ওঠে ২৬ বছর বয়সী ফাতিমা বশের মাথায়—মেক্সিকোর জন্য যা চতুর্থ ‘মিস ইউনিভার্স’ শিরোপা।