০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

ডিবিএন প্রতিবেদক

  • আপডেট সময় ০৫:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৯ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে, ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কায় দাম চাপে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.৮ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) কমেছে ৩২ সেন্ট, বর্তমান মূল্য ৫৮.৩৩ ডলার। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে বাজারে লেনদেনও ছিলো ধীর।
এর আগের দিন তেলের দাম ১ শতাংশ বেড়েছিল। তবে বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে—একদিকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা, অন্যদিকে অতিরিক্ত সরবরাহের ঝুঁকি।

এদিকে, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে মস্কো সফর করে সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে রাশিয়ার এক শীর্ষ কূটনীতিক জানিয়ে দিয়েছেন, মস্কো বড় ধরনের কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ থামলে ‘ওয়ার প্রিমিয়াম’ কমে যাবে, ফলে দামের আরও পতন সম্ভব। শান্তি হলে রাশিয়ার তেল সহজে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করবে—যা ইতোমধ্যেই বাড়তি সরবরাহের বাজারে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে মাঝারি মেয়াদে দামের দিকনির্দেশনা নিম্নমুখী।
অন্যদিকে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙা হয় এবং তেলের চাহিদা বাড়ে।

সূত্র : রয়টার্স।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কমেছে জ্বালানি তেলের দাম

আপডেট সময় ০৫:২০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে, ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কায় দাম চাপে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.৮ ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) কমেছে ৩২ সেন্ট, বর্তমান মূল্য ৫৮.৩৩ ডলার। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে বাজারে লেনদেনও ছিলো ধীর।
এর আগের দিন তেলের দাম ১ শতাংশ বেড়েছিল। তবে বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে—একদিকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা, অন্যদিকে অতিরিক্ত সরবরাহের ঝুঁকি।

এদিকে, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে মস্কো সফর করে সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে রাশিয়ার এক শীর্ষ কূটনীতিক জানিয়ে দিয়েছেন, মস্কো বড় ধরনের কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ থামলে ‘ওয়ার প্রিমিয়াম’ কমে যাবে, ফলে দামের আরও পতন সম্ভব। শান্তি হলে রাশিয়ার তেল সহজে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করবে—যা ইতোমধ্যেই বাড়তি সরবরাহের বাজারে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে মাঝারি মেয়াদে দামের দিকনির্দেশনা নিম্নমুখী।
অন্যদিকে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙা হয় এবং তেলের চাহিদা বাড়ে।

সূত্র : রয়টার্স।