০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বৈদ্যুতিক শক দিয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ, তরুণীসহ গ্রেফতার ৩

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০৪:০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

আটক দুই তরুণী। ছবি: সংগৃহীত

বরিশালে এক যুবককে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই তরুণীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে বরিশাল নগরের লঞ্চঘাট এলাকায় বান্দরোডের জেলা পরিষদ মার্কেটের তৃতীয় তলার একটি অফিসে এ নির্মম ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম বেল্লাল হোসেন রাজ (৩৪)। তিনি বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম চরআইচা গ্রামের মো. আব্দুল হক রাজের ছেলে। তিনি দুই মাসের পুত্র সন্তান ও তিন কন্যার জনক এবং পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলচালক ছিলেন।

আটকরা হলেন ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানাধীন খালিশপুরের ১ নম্বর সড়কের রায়হান চৌধুরীর মেয়ে মায়া চৌধুরী (১৮), পিরোজপুরের স্বরুপকাঠি উপজেলার ইন্দেরহাট বরছাকাঠি গ্রামের মিজানুর রহমান খোকনের মেয়ে সাদিয়া আক্তার (২০) এবং সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলি এলাকার সিরাজ হাওলাদারের ছেলে অটোরিকশাচালক রানা হাওলাদার (২৮)।

এদিকে, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয় বলে দাবি করেছেন নিহতের ঘটনায় আটক রানা হাওলাদার নামের অটোরিকশাচালক।

তার দাবি, অসাবধানতাবশত ভবনের পাশে থাকা বিদ্যুতের তারে হাত লেগে দুর্ঘটনার শিকার হন বেল্লাল হোসেন রাজ। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কথিত সাংবাদিক রিপন রানা ওরফে ট্রলার রিপনসহ তাদের সহযোগীরা আত্মগোপনে রয়েছে।

নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন, গত ২ ডিসেম্বর দুপুরে খাবার খেয়ে আমার স্বামী মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর ভোর রাতে রানা নামের এক ব্যক্তি মেয়ের মোবাইল নম্বরে ফোন করে জানায়, বেল্লাল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে রয়েছে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশঘরে গিয়ে তার মৃতদেহ খুঁজে পাই। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ রানা নামের ওই যুবককে আটক করে। 

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বৈদ্যুতিক শক দিয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ, তরুণীসহ গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় ০৪:০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বরিশালে এক যুবককে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই তরুণীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে বরিশাল নগরের লঞ্চঘাট এলাকায় বান্দরোডের জেলা পরিষদ মার্কেটের তৃতীয় তলার একটি অফিসে এ নির্মম ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম বেল্লাল হোসেন রাজ (৩৪)। তিনি বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম চরআইচা গ্রামের মো. আব্দুল হক রাজের ছেলে। তিনি দুই মাসের পুত্র সন্তান ও তিন কন্যার জনক এবং পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলচালক ছিলেন।

আটকরা হলেন ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানাধীন খালিশপুরের ১ নম্বর সড়কের রায়হান চৌধুরীর মেয়ে মায়া চৌধুরী (১৮), পিরোজপুরের স্বরুপকাঠি উপজেলার ইন্দেরহাট বরছাকাঠি গ্রামের মিজানুর রহমান খোকনের মেয়ে সাদিয়া আক্তার (২০) এবং সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলি এলাকার সিরাজ হাওলাদারের ছেলে অটোরিকশাচালক রানা হাওলাদার (২৮)।

এদিকে, এটি কোনো হত্যাকাণ্ড নয় বলে দাবি করেছেন নিহতের ঘটনায় আটক রানা হাওলাদার নামের অটোরিকশাচালক।

তার দাবি, অসাবধানতাবশত ভবনের পাশে থাকা বিদ্যুতের তারে হাত লেগে দুর্ঘটনার শিকার হন বেল্লাল হোসেন রাজ। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কথিত সাংবাদিক রিপন রানা ওরফে ট্রলার রিপনসহ তাদের সহযোগীরা আত্মগোপনে রয়েছে।

নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন, গত ২ ডিসেম্বর দুপুরে খাবার খেয়ে আমার স্বামী মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর ভোর রাতে রানা নামের এক ব্যক্তি মেয়ের মোবাইল নম্বরে ফোন করে জানায়, বেল্লাল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হয়ে হাসপাতালে রয়েছে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশঘরে গিয়ে তার মৃতদেহ খুঁজে পাই। খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ রানা নামের ওই যুবককে আটক করে।