নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ঘিরে তরুণকে খুন করে দেহ টুকরা টুকরা করলেন বন্ধু
- আপডেট সময় ০৬:০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
ভারতের গুজরাটে ২০ বছর বয়সী এক তরুণকে ছয় দিন ধরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তার বিচ্ছিন্ন দেহাবশেষ উদ্ধার করে। তদন্তে জানা গেছে, এক নারীকে কেন্দ্র করে বিরোধ বাধায় ওই তরুণকে হত্যা করে তারই এক বন্ধু। শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হননি, অপরাধ ঢাকতে তিনি মরদেহটিকে টুকরা টুকরা করে ফেলেছিলেন।
২ ডিসেম্বর গুজরাটের মহেশ্বরী নখত্রানার মুরু গ্রাম থেকে রমেশ মহেশ্বরী নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় ডায়েরি করা হয়। পরে ওই তরুণের খোঁজে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশ।তদন্তের পুলিশ রমেশের বন্ধু কিশোরের ওপর সন্দেহ পোষণ করতে শুরু করে। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর স্বীকার করেন, এক পরিচিত নারীর সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তিনি রমেশকে হত্যা করেছেন। হত্যাকাণ্ডে আরও একটি কিশোরেরও সংশ্লিষ্টতা ছিল। কিশোরের উপস্থিতিতে জিজ্ঞাসাবাদে এই তথ্য প্রকাশ পায়।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোর ওই নারীকে ইনস্টাগ্রামে বার্তা পাঠিয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। ওই নারী রমেশকে এ কথা জানালে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কিশোর রমেশকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে কিশোর তাদের জানিয়েছেন, তিনি রমেশকে তাদের এলাকার বাইরে নিয়ে যান। সেখানে তাকে খুন করেন। তারপর একটি ছুরি দিয়ে তার মাথা, হাত ও পা কেটে আলাদা করে ফেলেন। এরপর রমেশের দেহের টুকরাগুলো একটি গভীর কুয়োর মধ্যে ফেলে দেন। আর বাকি দেহটি কাছাকাছি এক জায়গায় মাটিচাপা দেন।কিশোরের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নখত্রানা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন গত সোমবার ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তারা মাটিচাপা দেওয়া দেহটি উদ্ধার করে। পরে কুয়া থেকে টুকরা টুকরা করে ফেলে দেওয়া দেশের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ উদ্ধার করা হয়। এ হত্যার ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে।





















