১১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ১০:৩০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলায় প্রেমের টানে সুনামগঞ্জ থেকে আসা সাদিয়া (১৬) নামে এক কিশোরীকে জিম্মি করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের শ্রী নারায়ণপুর এলাকার ওই তরুণীর সাথে মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের একটি কারখানার শ্রমিক মো. সজিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে গত বুধবার ওই তরুণী সজিবের সাথে দেখা করতে মনপুরায় আসেন। বিয়ে না হওয়ায় স্থানীয়দের চাপের মুখে তারা সজিবের চাচার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরবর্তীতে স্থানীয় একটি সালিশের মাধ্যমে ওই তরুণ-তরুণীকে ইদ্রিস মাঝি নামে এক ব্যক্তির জিম্মায় দেয়া হয়। সেখান থেকে মাকসুদ, আলামিন ও শাহিন নামের তিন ব্যক্তি তাদের ঢাকা অভিমুখী লঞ্চে তুলে দেয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নিয়ে বের হয়।প্রেমিক মো. সজীব জানান,​বৃহস্পতিবার রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। ​লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদের নিয়ে যায় নির্জন বেড়িবাঁধ এলাকায়। ​সেখানে রাসেলকে মারধর করে আটকে রেখে সাদিয়াকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

​ঘটনার পর কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।​এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার তরুণী

আপডেট সময় ১০:৩০:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলায় প্রেমের টানে সুনামগঞ্জ থেকে আসা সাদিয়া (১৬) নামে এক কিশোরীকে জিম্মি করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের শ্রী নারায়ণপুর এলাকার ওই তরুণীর সাথে মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের একটি কারখানার শ্রমিক মো. সজিবের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সূত্রে গত বুধবার ওই তরুণী সজিবের সাথে দেখা করতে মনপুরায় আসেন। বিয়ে না হওয়ায় স্থানীয়দের চাপের মুখে তারা সজিবের চাচার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরবর্তীতে স্থানীয় একটি সালিশের মাধ্যমে ওই তরুণ-তরুণীকে ইদ্রিস মাঝি নামে এক ব্যক্তির জিম্মায় দেয়া হয়। সেখান থেকে মাকসুদ, আলামিন ও শাহিন নামের তিন ব্যক্তি তাদের ঢাকা অভিমুখী লঞ্চে তুলে দেয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে নিয়ে বের হয়।প্রেমিক মো. সজীব জানান,​বৃহস্পতিবার রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। ​লঞ্চঘাটে না নিয়ে তাদের নিয়ে যায় নির্জন বেড়িবাঁধ এলাকায়। ​সেখানে রাসেলকে মারধর করে আটকে রেখে সাদিয়াকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

​ঘটনার পর কিশোরীকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।​এ বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দিন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।