১১:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেয়ে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে

ডিবিএন প্রতিবেদক :
  • আপডেট সময় ০২:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নিজের চার বছর বয়সি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন বাবা। এক এক করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মেয়েকে পড়াচ্ছিলেন তিনি। একটা সময় অংক বই বের করেন। এরপর মেয়েকে বলেন ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে। মেয়েটি লেখাও শুরু করেন। কিন্তু কয়েকটি সংখ্যা লেখার পর পরের সংখ্যা আর মনে করতে পারছিলে না সে। এর পরেই ঘটে বিপত্তি।

৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সেই বাবার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের হরিয়ানার ফরিদাবাদে। মেয়েকে হত্যার অভিযোগ উঠা ওই বাবার নাম কৃষ্ণ জয়সওয়াল। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ বলছে, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ। ফরিদাবাদে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কৃষ্ণ ও তার স্ত্রী দুজনই ফরিদাবাদে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তারা দুজনে পালা করে মেয়ের দেখাশোনা করতেন। কৃষ্ণের স্ত্রী দিনে অফিস করেন। ফলে সে সময় মেয়েকে দেখাশোনা করতেন কৃষ্ণ। স্ত্রী বাড়ি ফিরলে রাতে কাজে যেতেন কৃষ্ণ।

গত ২১ জানুয়ারি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন কৃষ্ণ। সে ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তারপর মেয়েকে মারধর শুরু করেন। সন্ধ্যায় কৃষ্ণের স্ত্রী বাড়িতে ফিরে মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে। মারধরের কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

খবর : আনন্দবাজার।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেয়ে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০২:০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

নিজের চার বছর বয়সি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন বাবা। এক এক করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মেয়েকে পড়াচ্ছিলেন তিনি। একটা সময় অংক বই বের করেন। এরপর মেয়েকে বলেন ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে। মেয়েটি লেখাও শুরু করেন। কিন্তু কয়েকটি সংখ্যা লেখার পর পরের সংখ্যা আর মনে করতে পারছিলে না সে। এর পরেই ঘটে বিপত্তি।

৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেয়েকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সেই বাবার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের হরিয়ানার ফরিদাবাদে। মেয়েকে হত্যার অভিযোগ উঠা ওই বাবার নাম কৃষ্ণ জয়সওয়াল। তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ বলছে, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ। ফরিদাবাদে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কৃষ্ণ ও তার স্ত্রী দুজনই ফরিদাবাদে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তারা দুজনে পালা করে মেয়ের দেখাশোনা করতেন। কৃষ্ণের স্ত্রী দিনে অফিস করেন। ফলে সে সময় মেয়েকে দেখাশোনা করতেন কৃষ্ণ। স্ত্রী বাড়ি ফিরলে রাতে কাজে যেতেন কৃষ্ণ।

গত ২১ জানুয়ারি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন কৃষ্ণ। সে ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তারপর মেয়েকে মারধর শুরু করেন। সন্ধ্যায় কৃষ্ণের স্ত্রী বাড়িতে ফিরে মেয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে কৃষ্ণকে গ্রেপ্তার করে। মারধরের কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

খবর : আনন্দবাজার।